শেষবেলায় বিদায় মুহুর্তটা কেনো যেনো কখনোই মনের মত হয় না। প্রতিবারই হয়ত কোনো একটা বিশেষ না বলা কথা, প্রিয়মুখ টা শেষ আরেকটা বার দেখার আকুতি, আক্ষেপ; কিংবা হয়ত সেই দোলনচাঁপা গুলোর গন্ধ নেবার উছিলা, শহুরে ভীড়ে একা দাঁড়িয়ে দেখা মন টা কে দুমড়ে মুচড়ে দেয়।
ইভটিজিং এর চৌরাস্তায়, দুই রিক্সার সরু গলিতে, ভীড় ঠেলা তার সকুচিত ভীরু হারিয়ে যাওয়া দেখার লোভী সুযোগ করে দেয় তখন গলির মাথার পানের দোকানগুলো। বেনসনের ভাংতি খোঁজার ছুতোয়, সেই ঘোলা সোডিয়ামের আলো তখন কি এক পাশ ফেরা, তারা জ্বল জ্বল সুখী মুখের, রুপের সত্যিই কি মিথ্যা দ্বন্দে ফেলে দেয়। মায়া বাড়ায়, রাত বাড়ে, সমান তালে।
তাই তো এই মুমুর্ষ নগরীর শেষ ট্রিপের বলাকা বাসের ভাঙা জানালার ঘোলা কাঁচে, কেউ কেউ লিখে আসে, লাজুক সে কথা। ধুলো আর বিষাক্ত বাতাসে সারাদিনের ক্লান্তিতে হেলানো, বুজে আসা চোখ, তখনো আশ্চর্য এক সুখ খুঁজে পায়, কারো কারো পাঠানো আকস্মিক এসএমএস এ।মাঝরাতে বাড়ি ফেরা, মধ্যবিত্ব মনটা গেয়ে যায় পুরোনো দিনের বাংলা ছবির গান।
কেউ না জানুক কার কারনে।